ভোক্তা পর্যায়ে আলুর দাম ৩৫ টাকা ! প্রভাব পড়েনি পূর্বধলায়

প্রকাশিত: ১০:০০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২০

সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর সরকারীভাবে আলুর দাম বেঁধে দেয়ার পরও নেত্রকোণার পূর্বধলায় কমেনি আলুর দাম। উপজেলার পূর্বধলা বড় বাজার, স্টেশন বাজার, হোগলা বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমনটি পরিলক্ষিত হয়েছে।

আজ ২৮ অক্টোবর বুধবার পাইকারী বাজার ঘুরে দেখা গেছে ডায়মন্ড আলু কেজি প্রতি বিক্রী হচ্ছে ৩৮ টাকা ও দেশী আলু প্রতি কেজি ৪০ টাকায়। খুচরা বাজারে স্থানভেদে যা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দেখা গেছে।

- Advertisement -

স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাইকারি বাজার থেকে আলু সংগ্রহের পর চার ধাপে খরচ আছে, এই চার কারণে দাম কমানো যায় না। এরমধ্যে পাইকারি বাজারে চাঁদা, লেবার খরচ, পরিবহন খরচ আছে। এর বাইরে আছে প্রতি বস্তায় পাঁচ কেজি আলু বাদ পড়ে পঁচা থাকার কারণে। এছাড়াও সামনে আরো দাম বাড়ার আভাস পাওয়া গিয়েছে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে।

যোগাযোগ করা হলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি আলু বিক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, আমাদের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হিমাগার থেকে কম দামে আলু পাওয়া যায় না। সেখানে আলুর খরচ আর সল্পতার কারণে কম দামে ছাড়ছে না। এ অবস্থায় আমরা বিপদে আছি। দাম বেশি হলে জরিমানার ভয় আবার কম দামে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হচ্ছে। এরপরও ক্রেতা ধরে রাখতে আমরা কিছুটা লোকসানে আলু ছাড়ছি।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০ অক্টোবর কৃষি বিপণণ অধিদপ্তর খুচরা পর্যায়ে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ৩০ টাকা এবং হিমাগারে ২৭ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়। এবং ২১ অক্টোবর থেকে কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। আলু মজুদ আছে। অভিযান আরও জোরদার হচ্ছে। কোনো হিমাগারে মজুদ থাকার পরও আলু না ছাড়া হলে সেগুলো নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।