বাংলার আওয়াজ, ৭ জুলাই, ২০২০

ফরিদপুরে আড়াই লাখ পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কার্ড

প্রকাশিত: ১২:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২০

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে ফরিদপুর জেলায় আড়াই লাখ পরিবারকে দেয়া হচ্ছে মানবিক সহায়তা কার্ড। দ্বৈত নামভুক্তি ও অস্পষ্টতার নিরসনের জন্য এই কার্ডে যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল বার কোড। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের আইসিটি বিভাগের দ্বায়িত্বরত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (নেজারত) দীপক কুমার রায় বলেন, ‘হতদরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই খাদ্য সহায়তা ‘মানবিক সহায়তা কার্ড’ এর মাধ্যমে প্রদানের উদ্যোগ ফরিদপুর জেলা থেকেই প্রথম নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ইতিমধ্যে এই ডিজিটাল বারকোড সম্বলিত মানবিক সহায়তা কার্ডের অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং এই মডেল অবিকল রেখে দেশের অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকদের বিষয়টি গ্রহণের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে।’

- Advertisement -

তিনি বলেন, ‘প্রথাগত পদ্ধতিতে সহায়তা প্রদানে জটিলতা থাকে বিধায় ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এখন এই কার্ডে ডিজিটাল বার কোডযুক্ত হওয়ায় এটি নকল বা অন্য কোন উপায়ে ব্যবহার করতে পারবে না। কার্ডধারীকে এ পর্যন্ত প্রদানকৃত সহায়তার সকল তথ্য বারকোড স্ক্যান করে নিমিষেই জানা যাবে। উপকারভোগীর ছবিসহ পারিবারিক সকল তথ্যও থাকবে তাতে। ’

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সহায়তা কার্ডটি স্বচ্ছ কথায় একটি ডিজিটাল কার্ড। এর মাধ্যমে একটি কার্ড থেকে কে কতো বার সহায়তা ভোগ করেছে তা জানা যাবে। আমরা একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করেছি। এতে জেলার সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলার তথ্য থাকবে। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা প্রদানের হালনাগাদ তথ্য সন্নিবেশিত করা হবে। জেলার পুরো চিত্র একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হবে।’
তিনি বলেন,‘ এর মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক উপকারভোগীর তালিকা থাকবে যাতে কেউ বি ত হলো কিনা সেটিও জানা যাবে। কারো কোন অভিযোগ থাকলে সেটিও তারা কমেন্ট করে জানাতে পারবে। আগামী একমাসের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া আমরা সম্পন্ন করতে পারবো বলে আশা করছি।’

ফরিদপুর জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ‘জেলার ৯টি উপজেলার ৮১টি ইউনিয়নের আড়াই লাখ পরিবারকে এই মানবিক সহায়তা কার্ড প্রদানের কর্মসূচী শুরু করা হয়েছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রেজার বলেন, ‘ইতিমধ্যে এই মানবিক সহায়তা কার্ড এর মাধ্যমে সদর উপজেলার ৩৩ হাজার পরিবারকে এই কার্ড বিতরণের পর তাদেরকে খাদ্য সহায়তা দেয়া শুরু হয়েছে। করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিকালীন সময়ে ১৫ দিন অন্তর তাদেরকে এই সহায়তা দেয়া হবে।’

মতামত জরিপ

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকা লকডাউন করার জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারের এ নির্দেশনা সঠিক বলে মনে করেন ?
  • এই বিভাগের সর্বশেষ