পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মচারীদের অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২:২০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

নেত্রকোণার পূর্বধলায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার কাজী নিলুফার ইয়াসমিন, হামিদা আক্তার খাতুন ও পিয়ন আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগ উঠেছে। এলাকার প্রভাব দেখিয়ে অফিসের কার্যক্রম বহিরাগত লোকসাজশে করানো হচ্ছে। বিভিন্ন সূচী বহির হাতের লিখা একই ব্যক্তির বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) অফিসের নকল নবিশ সুজন চন্দ্র সরকার ও সাইকুল ইসলামের সাথে মোহরারগণ এবং পিয়নের দাপ্তরিক কাজ নিয়ে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। ফলে অফিসের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়।

- Advertisement -

নবিশ সুজন চন্দ্র সরকার জানান, অফিসের স্থায়ী কর্মচারীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে হামিদার বহিরাগত স্বজনেরা ৮/১০ জন মিলে লোহার রড, লাঠি-সোঠা নিয়ে অফিসে প্রবেশ করে টানা হেচড়া ও হট্টগোল শুরু করেন এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।

মোহরারগণ ও পিয়ন জানান, আমাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট। অফিস বন্ধ করার পূর্ব মূর্হুতে নকল নবিশ সুজন চন্দ্র সরকার ও সাইকুল ইসলাম জোড়পূর্বক চাবি ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্ঠা করলে আমরা বাধা দিলে তারা হট্টগোল সৃষ্টি করে।

দলিল লিখক সমিতির সভাপতি প্রদীপ কুমার চন্দ জানান, অফিসের ভিতরে চিৎকার শুনে আমি ও অন্যান্য দলিল লিখকরা মিলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনি। গত ২৫/০৪/১৮, ১৫/০৫/১৮, ২১/০৫/১৮ তারিখে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু এদের দায়িত্ব পালনে অপেশাদারীত্ব ও অশালীন আচারণের কারণে বিগত সাব-রেজিষ্ট্রারগণ অন্যত্র বদলি হয়েছেন।

সিনিয়র দলিল লিখক আদম আলী জানান, অফিস প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত কোন দিন দেখিনি অফিসের ভিতরে বহিরাগতরা লাঠি সোটা ও লোহার রড় নিয়ে হামলা চালাতে। অফিসের স্থায়ী কর্মচারীগণ এলাকার প্রভাব বিস্তার করে ভবিষতে যেন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে না পারে সেজন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

সাব-রেজিষ্ট্রার আজমল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থায়ী কর্মচারীদের বিরোদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তিনি তদন্তের পূর্বে এ ব্যাপারে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।